কাজ ফুরালে, উঠে
অহমিকা টাকা ছুঁড়েছিল গায়ে ।
আমিও তর্জনী পেঁচিয়ে
পুরো ফ্যাদাটাই প্রায় তুলে এনে,
এক টুসকি তে
যেই দিয়েছি ছুঁড়ে, টিপ করে
তার ডান জুতোর ঠিক আগে,
ওমনি থমকে দাঁড়ালো সে ।
একদৃষ্টিতে বেশ কিছুক্ষণ
চেয়ে রইলো সে পানে !
পৌরুষের ফাঁপা অহমিকা
ঝুর ঝুর করে খসে,
অসহায় ভেঙে পড়েছে তখন তার ।
মরীয়া হয়ে, আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে
ঘুরে, ভিক্ষুকদের মত স্বরে
বলে উঠলো - "তোকে কিন্তু ভালবাসি" ।
খুব মিষ্টি করে হাসলাম এবার ।
পরম পুলকে বলে ফেললাম - "মারহাব্বা,
যাস কেন তবে ? থেকে যা ।
সতীপুকুরে
পরমগতির ডুবটা দিয়ে আসি ।"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন