দীর্ঘশ্বাস আর হা-হুতাশ দের একটু বেশি কাছাকাছি গেলে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হতে হয় ৷
মনস্তত্ত্বের সাথে দর্শন নিয়ে অধ্যয়নের গভীরে যাদের নিয়মিত যাতায়াত আছে, তারা হামেশা জানতেই পারে যে, মানুষের ভাগ্যের উদ্ভব ঘটে আপন চরিত্রের গভীর হতে, অর্থাৎ বিশেষ বিশেষ দুর্ভাগ্যের কারণ লুকিয়ে থাকে মানুষের বিশেষ বিশেষ চিন্তার প্রবৃত্তিতে এবং তদনুযায়ী বিশেষ কিছু stereo-typed action ও reaction এর অভ্যাসে ৷ এই বিশেষ প্রবৃত্তিরা তার প্রারব্ধ আসক্তিও হতে পারে, অথবা এ জনমের বিভ্রান্ত অর্জনও হতে পারে ৷
বিশেষ দুর্ভাগ্যটি হতে মুক্তির উপায় হলো, নিমিত্ত অভ্যাসটিতে সচতন নির্লিপ্তি তথা প্রশ্রয়হীনতা এবং বিপরীতমুখী অভ্যাসের নব সংযোজন - আপন চরিত্রে ৷
এবারে মজার কথাটি হলো, মানুষটিকে এই কথাটি ধরে কথা বোঝাতে গেলে, সে আপনাকে তেড়ে মারতে আসতে পারে, কারণ ঐ বিশেষ কু-অভ্যাসটিকে সে যেহেতু আপন ব্যক্তিত্বের গর্বিত ভাগীদার হিসেবে লালন ও পরিচর্যা করে এসেছে এতদিন, সুতরাং তার পক্ষে মেনে নেওয়া সমূহ কঠিন, যে ঐ বিশেষে দুর্ভাগ্য-সূচক কু-অভ্যাসটি ছাড়াও, সে, এই পৃথিবীতে, অতি সহজে, সুন্দরতর রূপে দিব্যি বেঁচে থাকতে পারে ৷
আপনাকে বরং হতাশ হয়ে তাই দেখতে হবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে, যে - দুই হাজার টাকা fees দিয়ে, সে psychiatric medicine খেয়ে ঝিমাতে পারে, দিনের পর দিন, কিন্তু ওষুধ বিনি পয়সায় হাতের কাছে পেলেও, কোনওমতেই তাকে গ্রহণ না করে, বরং নির্দ্বিধায় আপন বিষের জ্বালায় বাকি জীবন জ্বলতে অধিক প্রবৃত্ত হতে পারে ৷
মানুষের অজ্ঞতা এই উপায়ে আপন ভাগ্য বা কপালকে না পাল্টানোর চেষ্টা ক'রে, অসহায় রূপে মেনে নিয়ে, দিনের পর দিন বরং অধিকতর reinforce করার চেষ্টা করে ৷
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন