বড় হওয়ার ঠিক পরে পরে
তিনি একদিন কাছে বসিয়ে বলেছিলেন -
"যারা দেখবি - চাহিদামত শুতে পেলেই
পূর্ণ-তৃপ্ত বা চালু কথায় "বক-বক খুশি",
তারা জানবি
পশুজন্ম পেরিয়ে এসেছে অতি সদ্য !
গায়ে তাই গন্ধ পাবি মাঝে মাঝেই এখনও !
যারা দেখবি - ভালবাসার মানুষটিকে
ইচ্ছানুযায়ী চালাতে বদ্ধ-পরিকর
তারা জানবি ভিতরে ভিতরে শোষকও !
ভালবাসার অজুহাতে, ভালবাসার চেয়ে,
অধিকারের প্রয়োজন তাদের নিকটে অধিক ৷
এরা মানবজনমে অভিজ্ঞতর,
বুদ্ধির সুবিধাবাদী প্রয়োগের ক্ষেত্রদের
আগে থেকে চিনে রাখার অধিকারে ৷
যারা দেখবি তুলনামূলক ভাবে শান্ত ও মৌন
তারা অনুভবে সাধারণতঃ গভীর ৷
মুখে না বলেও মানুষকে পড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে
তারা বেশিরভাগই এগিয়ে ৷
ভাব বিনিময়ের জন্য দৃষ্টির ভাষাটি যথেষ্ট ৷
সমাজের ছড়ির শাসন পারে না রুখতে
ইচ্ছানুসারে প্রাণের সঙ্গমে
তাদের বানভাসি খুঁজে নিতে পারা !
নিচু হতে ক্রমশঃ উঁচুতে
তিনখানি স্তর !
প্রথমটি শরীর,
যেখানে আকাট ও সেয়ানায়
ভীড় সর্বাধিক ৷
দ্বিতীয়টি মন,
যেখানে অহমিকা আর
কর্তৃত্বের লড়াই প্রাণপণ
আর তৃতীয়টি পরাণ,
যে জীবনের আসল ক্ষীরটি
মেরে দিতে জানা ছুপারুস্তম ৷"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন