"কবিতাকে শরীর দেব" -
শালা, এই তিনটি শব্দ উচ্চারণ করা মাত্রই
আমার বাম দিকে আর ডান দিকে
ওমনি খাড়া হয়ে গেল যুযুধান দুই পক্ষ
আকস্মিক বাঙালিয়ানার প্রতিযোগিতায়
ঘেউ ঘেউ আস্ফালনে -
তুমুল বাক-বিতণ্ডা সহযোগে ৷
বাম-পক্ষ বললো - "ও যে রাজি হলো শরীর দিতে,
তা, কবিতা কবে চাইলো নির্লজ্জের মত
ওরই কাছে বহুমূল্য শরীর ?
কী প্রমাণ আছে তেমন অঙ্গ ওরই একার আছে,
দেখাতে হবে আগে ৷"
ডান-পক্ষ বললো "ও কত বড় কবি ?
কটা পুরষ্কার রেখেছে বগলে, যে ঘটা করে
ঘোষণা দিতে হবে - "কবিতাকে অবয়ব দেওয়ার" ?
কী এমন দৃষ্টান্তমূলক শরীর ও দিয়েছে
অতীতে কবিতায় ?
দুপক্ষ অতঃপর একযোগে চেঁচিয়ে উঠলো -
"একজনের কেন হবে এত একতরফা বাড় ?
সমবন্টনে প্রতিভার কী মূল্য আছে ?"
ঝগড়া, বাঙালীর নিয়মে,
দ্রুত হাতাহাতির ঠিক আগের স্তরে পৌঁছে যেতেই,
'লড়াই যথারীতি জমে গেছে' - এ বিষয়ে
পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে,
টুক করে, ছোট, বড়, মেজ,
সকল পরমুখাপেক্ষী বগলের তল দিয়ে গলে,
আমি আর কবিতা
আত্মমুখাপেক্ষিতায় তুমুল আস্থা রেখে,
হাসতে হাসতে, নাচতে নাচতে,
সটান পাগার পার ৷
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন