শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮

বাঞ্ছা

মুখে না বলেও
বুঝে নেওয়া কতদূর স্বচ্ছ হতে পারে
সে যুগলে একই সাথে শেখা !
সে আমাদের
নিয়ম করে দেখা হওয়ার কাল ।
.
প্রতিদিনের অবধারিত ইচ্ছাকে
বাস্তবের সত্যিতে লেখার
প্রথম সুযোগটি পেয়ে
প্রায় বছর দুই পেরোলে পরে
ফাঁকা ক্লাস ঘরে
যেই না ছুঁতে চাওয়ার
দুরুদুরু এগিয়ে আসা -
আকুলের প্রথম চঞ্চু-পরশের টানে,
ওমনি ছিটকে সরে, অস্বাভাবিক জোরে
চিৎকার করে উঠেছিলি ।
.
কিঞ্চিত শান্ত হলে, বলেছিলি -
"যা না রাস্তার ধারে - তাদের কাছে
যারা পয়সা ছুঁড়লেই ওমনি দেবে ।"
.
নিজেকে পুরো দিনটা ধরে
বড় অবাঞ্ছিত মনে হয়েছিল রে !
.
সেই একই তুই
বড়জোর, বছর কুড়ি পরে
ডেকে নিয়েছিলি
কত না স্বপ্নে সাজানো
তোদের নূতন ফাঁকা ফ্ল্যাটে !
গৃহপ্রবেশের তখনো বাকি, অথচ,
বেনিয়মের অভিসারে
অভিজ্ঞের গভীরতর দেওয়ার
চতুর সম্ভাবনায়
চকচক করে উঠেছিল অবাধ্য চোখ !
.
প্রতিবাদ আর সমর্পণের
ঠিক মাঝখান দিয়ে গলে গিয়ে
নিরুত্তাপে মুখ ফিরিয়েছিল বাধ্য শিকার !
.
জিতেছিল কে
ধিক্কারের প্রতিযোগিতায় রে সেদিন ?
কোন উপকারে অপেক্ষাদের কবরের উপরে
সেজেছিল সেদিনের অবাঞ্ছিত উপহার ?
.

.

কোন মন্তব্য নেই: