মঙ্গলবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৮

বাঞ্ছা


মুখে না বলেও

বুঝে নেওয়া কতদূর স্বচ্ছ হতে পারে

সে যুগলে একই সাথে শেখা !

সে আমাদের

নিয়ম করে দেখা হওয়ার কাল ।


প্রতিদিনের অবধারিত ইচ্ছাকে

বাস্তবের সত্যিতে লেখার

প্রথম সুযোগটি পেয়ে

প্রায় বছর দুই পেরোলে পরে

ফাঁকা ক্লাস ঘরে

যেই না ছুঁতে চাওয়ার

দুরুদুরু এগিয়ে আসা -

আকুলের প্রথম চঞ্চু-পরশের টানে,

ওমনি ছিটকে সরে, অস্বাভাবিক জোরে

চিৎকার করে উঠেছিলি ।


কিঞ্চিত শান্ত হলে, বলেছিলি -

"যা না রাস্তার ধারে - তাদের কাছে

যারা পয়সা ছুঁড়লেই ওমনি দেবে ।"


নিজেকে পুরো দিনটা ধরে

বড় অবাঞ্ছিত মনে হয়েছিল রে !


সেই একই তুই

বড়জোর, বছর কুড়ি পরে

ডেকে নিয়েছিলি

কত না স্বপ্নে সাজানো

তোদের নূতন ফাঁকা ফ্ল্যাটে !

গৃহপ্রবেশের তখনো বাকি, অথচ,

বেনিয়মের অভিসারে

অভিজ্ঞের গভীরতর দেওয়ার

চতুর সম্ভাবনায়

চকচক করে উঠেছিল অবাধ্য চোখ !


প্রতিবাদ আর সমর্পণের

ঠিক মাঝখান দিয়ে গলে গিয়ে

নিরুত্তাপে মুখ ফিরিয়েছিল বাধ্য শিকার !


জিতেছিল কে

ধিক্কারের প্রতিযোগিতায় রে সেদিন ?

কোন উপকারে অপেক্ষাদের কবরের উপরে

সেজেছিল সেদিনের অবাঞ্ছিত উপহার ?

কোন মন্তব্য নেই: